বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০১৫

দুঃখের চড়ুইভাতি

একটা চড়ুইভাতি সংসারের ইচ্ছে ছিলো, নুন আনতে পান্তা ফুরোয় এর মতোন। দুজন মিলে ছোট্ট একটা সংসার বানাতাম। পান্তা ফুরোতো ঠিকই কিন্তু সুখের আধিখ্য হতো না।

কিন্তু তার ইচ্ছে ছিলো অন্য, সে চেয়েছিলো যেনো  সম্পর্কের আকাশে শুধু রোদ থাকে, রংধনু থাকে, নীল আকাশে উড়ন্ত কালোডানার সুখী চিল থাকে, রবী ঠাকুর কিংবা হূমায়ুন আহমেদের বৃষ্টি থাকে, পেজো তুলার মত ভাসতে থাকা সাদা মেঘ থাকে, আর থাকে মহাজগতের সব সুখের আধিক্য। এই সম্পর্কের আকাশে কালবৈশাখী কিংবা বজ্রপাত থাকেনা, পচে-গলে যাওয়া পশুর অভাবে ক্ষুধায় কাতর শকুন এই আকাশে উড়েনা, এ আকাশ কখনও কাল হয়না, দুঃখ বলতে কোন জিনিস এ আকাশে উড়বার সাহস করেনা।

আসলে এসব ছাড়া কি কোন আকাশ হয় না? হয়, সম্পর্ক! অসম্পূর্ন আকাশে অসম্পূর্ন সম্পর্কের খেলা। শুধু সুখের মেঘ দিয়ে সম্পর্কের আকাশ সাজাতে চাওয়া মানুষগুলোই জীবনে অসুখী থেকে যায়। আর যারা দুঃখ-কষ্টের মেঘগুলোও আকাশে স্থান দেয় তাদের সুখী হওয়ার সম্ভাবনাটা অনেক বেশি থাকে।

ভয় পেয়ে চলে গিয়েছিল, দুখের মেঘ তার সহ্য হবেনা। বোকা মেয়ে, এভাবে কি আকাশ বানানো যায়! সুখস্বপ্নগুলো দিয়ে বড়জোড় একটা আকাশের ষ্ট্র্যকচার দাড় করানো যেতে পারে, সম্পূর্ন আকাশ নয়...

২টি মন্তব্য: