গত বছরের ১৭ জুন ব্যাংককের স্যামিতিভেজ সুখুম্ভিত হাসপাতালে ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয় এক লোকের। সেখানে বিশ্রাম নিয়ে হোটেলে ফিরছিলেন। গলি দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি মাইক্রোবাস পেছন থেকে ধাক্কা দিলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি।
এই দুর্ঘটনায় তার মুখের চোয়াল ভেঙে যায় ও কানের এক অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে পাশের হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার দেহে ১১ ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করা হয়। এ অবস্থা থেকে বিস্ময়করভাবে সুস্থ হয়ে উঠেন তিনি।
মৃত্যুর এতো কাছে থেকে ফিরে আসার পর লোকটাকে আমরা সুপার ম্যান বলতে পারি। যদি, কারোর জীবন পুরোটাই এমন ঘটনাতে ভরপুর থাকে তাকে আমরা কি বলে সংজ্ঞায়িত করবো? লোকটার ওজন ছিল ১৭৪ কেজি। আর দেড় বছরে সেই ওজন কমিয়ে নিয়ে আসেন ৮৮ কেজিতে! যেকোনো মোটা মানুষের অনুপ্রেরণা হতে পারেন লোকটি।
২০১০ সালে তার প্রথমবার ক্যান্সার ধরা পড়ে। তারপর যখন ছয়বারের মতন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, ১২টা সার্জারি আর ৯টা ক্যামোথেরাপি দিতে হয়। ডাক্তার যখন তাকে সার্জারি করতে নিয়ে যায়, তাকে জানানো হয়- তিনি বাঁচতেও পারেন, নাও বাঁচতে পারেন। তখন তিনি বলে উঠেন- তার বাঁচতে হবে, কারণ পরের বছর হবিট এর সেকেন্ড পার্ট বের হবে, তিনি এটা দেখেই মরতে চান!
অসম্ভব মনোবলের অধিকারী লোকটা বেঁচে যান। হবিটের সেকেন্ড পার্ট রিলিজের বেশ কয়েকবছর পরও লোকটা দিব্যি বেঁচে আছেন! একবার তার একজন বন্ধু তাকে চ্যালেঞ্জ দেয়, তিনি যদি ৬ মাস সিগারেট না খেয়ে থাকতে পারেন, সে তাকে এক লাখ টাকা দিবে। প্রতিদিন ৫০/৬০টা সিগারেট খাওয়া লোকটা ঠিকই ৬ মাস সিগারেট না খেয়ে থেকে ছিলেন।
একের পর এক চ্যালেঞ্জ হারা মানুষদের জন্য তিনি আশার প্রদীপ হতে পারেন। তার ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম ঘাটলে দেখা যাবে ভুঁড়ি ভুঁড়ি খাবারের ছবি আপলোড করা। অথচ এর কিছুই তিনি হজম করতে পারেন না, প্রত্যেক বেলা খাবারের পর তিনি তা বমি করে ফেলে দেন! কারণ তার পাকস্থালীর ৮৫% কেটে ফেলে দেয়া হয়েছে!
নিজের ইচ্ছেমতো চলা মানুষজনের কাছে তিনি পথ প্রদর্শক হতে পারেন। মৃত্যুকে অসংখ্যবার বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো লোকটার নাম সাইদুস সালেহীন খালেদ। ভক্তরা তাকে ডাকে বেজবাবা সুমন নামে। আজ তার ৪৫তম জন্মদিন। অনুপ্রেরণা হয়ে আমাদের মাঝে আরও অনেকদিন বেঁচে থাকুন এই কামনায়।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
-
সবাই যতই বলুক রুশা সামিকে সময় দিচ্ছে বলেই, প্রেমটা এগুচ্ছে। আসলে সামি এই ভেবে আনন্দ পায় যে, এই মেয়েটাই ছিলো ভার্সিটির সবথেকে হ্যান্ডসাম ছেলে...
-
বলি ভাইরে ভাই, বলে যায়, আজব এক ঘটনা, সাপ খেলে সাপুরের মেয়ে নামে জরিনা। জরিনার মা নাই, জরিনার মা নাই, বাপ নাই, দাদির সাথে ঘোরে, বেহুলা ল...
-
এখন আর কেউ প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সুইসাইড করে না। সুইসাইড করে ডিপ্রেশনে। ডিপ্রেশনের শুরু হয় “আমার বন্ধুর কেন বাইক আছে আমার কেন নেই?” “তার বাবা-...



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন