রাতের শহরে জোছনার উৎসব শুরু হয়েছে। কেউ আয়োজন করে জোছনার রঙ মাখছে মনের দেয়ালে। কেউ জোছনাধারায় ভিজছে আপন খেয়ালে। অনেক কথা হলো। চলে যাওয়া মুহূর্তে কেউ বিদায় বললো কেউ কবিতা লিখে আর কেউ নিজেই একটা কবিতা। আমি কিছুই বললাম না। কিছু একটা ভাবলাম।
আজ পুরনো নোটগুলি খুলে দেখি সেই কথাটি। কিছুক্ষণ ভাসলাম নষ্টালজিয়ায় অথবা “তুমি যে আমার কবিতায়”। তাকে কখনোই বলা হবেনা সে ভাবনাটুকুর আবহগল্প অথবা জানা হবেনা প্রণয়দিনে আমার কবিতার শব্দ ছুঁয়েছে কিনা। বলবো বলে যে আর বলা হলোনা, হবেনা। তবুও না বলা নামের কেউ একজন থাকবে ভাবনাটুকুর আবহগল্পে।
তোমার আমার প্রণয় দিনের
শব্দ ছোঁয়া ক্ষণ,
আবহগল্প থাকনা লুকনো
যেমন, জোছনায় ভেজা মন।
কেউ দিয়ে যায় কবিতার আবহ
কেউ নিজেই একটা কবিতা,
কেউ দৃশ্যপট ভেবে ছবিটা আঁকে
কেউ নিজেই সেই ছবিটা।
আজ পুরনো নোটগুলি খুলে দেখি সেই কথাটি। কিছুক্ষণ ভাসলাম নষ্টালজিয়ায় অথবা “তুমি যে আমার কবিতায়”। তাকে কখনোই বলা হবেনা সে ভাবনাটুকুর আবহগল্প অথবা জানা হবেনা প্রণয়দিনে আমার কবিতার শব্দ ছুঁয়েছে কিনা। বলবো বলে যে আর বলা হলোনা, হবেনা। তবুও না বলা নামের কেউ একজন থাকবে ভাবনাটুকুর আবহগল্পে।
তোমার আমার প্রণয় দিনের
শব্দ ছোঁয়া ক্ষণ,
আবহগল্প থাকনা লুকনো
যেমন, জোছনায় ভেজা মন।
কেউ দিয়ে যায় কবিতার আবহ
কেউ নিজেই একটা কবিতা,
কেউ দৃশ্যপট ভেবে ছবিটা আঁকে
কেউ নিজেই সেই ছবিটা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন