মেয়েরা অকারণে আসে। আবার
সম্পূর্ণ অকারণে চলে যায়। জোয়ার
ভাটার ব্যাখা আছে, সময় আছে, সূচী আছে। আকাশে সূর্য ওঠে, তারারা মিটমিট করে হাসে, চাঁদ আলো ছড়ায়, সব কিছুর একটা ব্যাখা আছে, কার্যকারণ আছে। এমনকি পিপড়ারা সারিবদ্ধভাবে চলে, এর পেছনেও একটা গভীর মর্মার্থ আছে।
কিন্তু নারীরা কখন আসবে, কখনবা মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার কোনো ব্যাখা নেই। মেয়েরা যখন চলে যায়, এটাকে কি চলে যাওয়া বলে? কেউ কিছু বলে যায়, কেউ না বলে যায়। কেউ যাবার সময় বলে, তোমাকে আমি বন্ধু হিসেবে দেখতাম, প্রেমিক হিসেবে না।
কেউ বলে, তোমাকে আমি ভাই হিসেবে দেখতাম। এক মেয়ে চলে যাবার প্রাক্কালে আমাকে বলেছিলো, বিশ্বাস করো, তোমাকে আমি বয়ফ্রেন্ড না, মামা হিসেবে দেখতাম।
কেউ যাবার সময় সাত্বনা দিয়ে যায়। বলে, তুমি দুঃখ পেলে, আমি কষ্ট পাবো। একদম মন খারাপ করবে না, কেমন?
কেউ যাবার সময় শাপ-শাপান্ত করে যায়। তুমি মরো, আমি গেলাম। কচু গাছে, ফাঁসি নাও। এক আধা দার্শনিক মেয়ে আমাকে বলেছিলো, জীবন হচ্ছে কমলাপুর রেলস্টেশন। একটা ট্রেন চলে গেলে মন খারাপ করো না, আরেকটা ট্রেন আসবে। বিদায়বেলায় একটু টা টা দেবে?
বিদায় হে প্রেম, ভাবছিলাম তোমাকে নিয়ে পান্তা খাবো আসন্ন বৈশাখে। আমার পাতা ভাতে ছাই দিয়ে তুমি চলে গেলে, কী করে তোমায় ভুলি???
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন